ধর্ষনের শাস্তি ‍পৃথিবীর কোন দেশে কেমন? আর বাংলাদেশেই বা কেমন?

প্রতীকি ছবি। CNN

শিশু ধর্ষণ করলে মৃত্যুদণ্ড ভারতে
ভারতে ধর্ষণের আইনটি দিন দিন কঠোর হচ্ছে। ধর্ষণ নিয়ে দেশটিতে যত অসন্তোষ জনমনে তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য হলো কাশ্মীরে আট বছর বয়সী মুসলিম শিশু আসিফা বানু ধর্ষণ ও হত্যা। শিশুটিকে একটি মন্দিরে আটকে রেখে মাদক খাইয়ে পাঁচ দিন ধরে ধর্ষণ করা হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং মাথা থেঁতলে তার লাশ কাঠুয়ার কাছে একটি জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর ভারতজুড়ে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। দেশটির মন্ত্রিসভা পাস করে নতুন আইন।

আর সেই আইনে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে ধর্ষণের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে মৃত্যুদণ্ড। আর ১২ থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত মেয়েদের ধর্ষণের জন্য কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আর যেকোনো ধর্ষণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সাজা সাত বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হতে পারে। তা ছাড়া ১৬ বছরের নিচে কোনো মেয়েকে ধর্ষণ বা গণধর্ষণ করলে অভিযুক্তরা কোনোভাবেই আগাম জামিন পাবে না।

অবশ্য অনেকেই বলছেন, বয়সভেদে শাস্তি নিরূপণ করা ঠিক হয়নি। কারণ, ধর্ষণ একটি মেয়ের জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনা। আজীবন সে ভুলতে পারে না। তাই, যেকোনো ধর্ষকের শাস্তিই মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। ধর্ষকের সাজা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর বিধানও রাখা হয়েছে নতুন অধ্যাদেশে।

এর আগে ২০১২ সালে নয়াদিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর এ অপরাধের আইন সংশোধন করেছিল ভারত। ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মৃত্যুর কাছে হার মানেন নির্ভয়া। ধর্ষণের এ ঘটনায় সারা দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। এ ঘটনার পর নতুন করে নড়েচড়ে বশে দেশটির সরকার। ঘটনার জের ধরেই পরে ভারতে ধর্ষণ প্রতিরোধে কড়া আইন আনা হয়েছিল। নির্ভয়ার আসিফার ঘটনায় আবার নতুন আইন আনা হয়েছে দেশটিতে।

চীনে মৃত্যুদণ্ড বা খোজাকরণ
চীনে ধর্ষণ নিয়ে আইন বেশ কঠোর। নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন বা ধর্ষণ ঠেকাতে আইন রয়েছে সব দেশেই। কিন্তু ধর্ষণের শিকার শুধু নারীরাই হন, এমন নয়। বহু পুরুষও যৌন নির্যাতনের শিকার হন নানা ক্ষেত্রে। আগে দেশটিতে নারীদের ওপর যৌন নির্যাতনকে অপরাধ হিসেবে দেখা হতো। তবে ২০১৫ সালে আইন সংশোধন হয়। এতে শুধু নারী নয়, পুরুষদের ওপর যৌন নির্যাতন অপরাধ বলে গণ্য হবে। অপরাধ আইনে সংশোধন করে এর ন্যূনতম সাজা করা হয় পাঁচ বছর। নারী-পুরুষ উভয়ের ওপর যৌন নির্যাতনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

বিশেষ করে অপ্রাপ্ত বয়সের শিশু নারীদের ওপর এ ধরনের সহিংসতা প্রমাণিত হলে দেশটি ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড দেয়। আর সেটি কার্যকর করে খুব কম সময়ের মধ্যেই। কিছু বিরল ক্ষেত্রে, পুলিশ তাদের যৌনাঙ্গগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত বা অণ্ডকোষ কেটে ফেলে। তা ছাড়া অপ্রাপ্ত বয়সের যৌনকর্মীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ককেও ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ইরান : হয় ফাঁসি না হয় গুলি
নারীদের ওপর সহিংসতায় ইরান বেশ কঠোর। অপরাধ প্রমাণিত হলে এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তবে এই মৃত্যুদণ্ড যে সেভাবে কার্যকর করা হয় না। ধর্ষকদের সবার সামনে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় অথবা মাথায় গুলি করে মারা হয় বা পিটিয়ে হত্যা করা হয়। কারণ, দেশটি মনে করে এ ক্ষেত্রে নারীদের কোনো দোষ নেই। ধর্ষকই এ কাজে দোষী। তা ছাড়া রয়েছে আরও নানা ধরনের শাস্তি। যেমন দোররা বা চাবুক মারা অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষেও রয়েছে ইরান। ধর্ষণের দায়ে ১৮ বছরের কম বয়সীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, দেশটিতে এই নজিরও রয়েছে।

তবে কখনো কখনো অভিযুক্ত মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যায়। আর সেটা হওয়ার একমাত্র উপায় হলো যদি সে ধর্ষিতার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আসতে পারে বা ধর্ষিতা যদি তার অভিযোগ তুলে নেয়। দেশটিতে অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে এ কাজটি করা হয়ে থাকে। তবে সে ক্ষেত্রেও রয়েছে শাস্তি। মৃত্যুদণ্ড ঠেকানো গেলেও ধর্ষককে বা অভিযুক্তকে খেতে হবে অন্তত ১০০ চাবুকের বাড়ি, না হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

উত্তর কোরিয়ায় ফায়ারিং স্কোয়াড
বিশ্বের সবচেয়ে গোপনীয় রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি উত্তর কোরিয়া। এ দেশের বেশ কিছু আইন চালু রয়েছে, যা খুবই ভয়ংকর। দেশটিতে নারীদের ওপর যৌন সহিংসতার মাত্রা বেশি। শুধু সাধারণ নাগরিকই নয়, এই অভিযুক্তের তালিকায় দেশটির শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তা, কারারক্ষী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেলে গ্রেপ্তার। আর গ্রেপ্তারের পর অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সেটা কার্যকর হয় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বা ফায়ারিং স্কোয়াডে। তবে সেটার জন্য কোনো সময় নেওয়া হয় না। যখনই প্রমাণিত হবে, তখনই ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে গুলি। তা ছাড়া রয়েছে বিভিন্ন মাত্রার শাস্তি। এসব ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া হয় ধর্ষিতা কুমারী না বিবাহিতা, সাবালিকা, নাকি নাবালিকা, নারীর চরিত্র ত্রুটিমুক্ত কি না। এসব বিষয় আমলে নিয়ে বিচারক যদি মনে করেন ধর্ষকের অপরাধ ততটা গুরুতর নয়, যতটা ধর্ষিতা বলছে, সে ক্ষেত্রে অপরাধীর লঘু শাস্তি হয়। সে ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে, আসামি অনেক সময় বেকসুর খালাসও পেয়ে যায়।

নেদারল্যান্ডসে ১৫ বছর কারাদণ্ড
বিশ্বের সুখী দেশের তালিকায় রয়েছে নেদারল্যান্ডসের নাম। সেখানে সম্মতি ছাড়া একটি চুম্বনও অপরাধ। এমন অভিযোগ যদি পাওয়া যায়, তাহলে আইনি জটিলতায় পড়তে পারে যে কেউ। শুধু সাধারণ নাগরিকই নয়, যদি সে যৌনকর্মীও হয়, তাহলেও পড়তে হবে আইনি জটিলতায়।

যেকোনো ধরনের অনিচ্ছাকৃত শারীরিক মিলন বা অত্যাচার হলে নেদারল্যান্ডসে সেটিকে ধর্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ভুক্তভোগীর বয়স কত, তা মাথায় রেখে ধর্ষককে ৪ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। শাস্তি এত কম বলে আবার ভাবা ঠিক নয় এই দেশে যৌন সহিংসতা বেশি হয়। নারীদের জন্য নিরাপদ ও সেরা দেশগুলোর যদি তালিকা করা হয়, তাহলে সেই তালিকার ওপরের দিকেই থাকবে নেদারল্যান্ডসের নাম।

অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয়গুলো একেবারেই কমে এসেছে দেশটিতে। অনেক জেলখানা কয়েদির অভাবে এরই মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম অপরাধমূলক আচরণ করে থাকে কোন দেশের বাসিন্দারা, তার তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে নেদারল্যান্ডসের নাম।

দেশটি মনে করে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে এ ধরনের অপরাধ কমানো সম্ভব না। এটি নৈতিকতার স্খলন। দেশটিতে গর্ভপাত, পতিতাবৃত্তি ও স্বেচ্ছামৃত্যু বৈধ। সেখান থেকে মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ করা হয় ১৮৭০ সালে।

আফগানিস্তানে মাথায় গুলি
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, দেশটিতে বছরে তিন হাজারের মতো মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করে, যার আশি শতাংশই নারী। শুধু ২০১৭ সালেই ১৮০০ মানুষ সেখানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। এর মধ্যে চৌদ্দশই নারী। আর এর কারণ হলো, নারীর প্রতি সহিংসতা। বলা হয়ে থাকে, আফগানিস্তানে নারীরা পরিবারের ভেতরেই সব থেকে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়।

যদিও আফগানিস্তানে তেমন কোনো আইন নেই, যা ধর্ষণের শিকার বা তার পরিবারকে সুরক্ষা দেয়। এ কারণেই অনেকে আইনের শরণাপন্ন হয় না। তাই খুব কমসংখ্যক নারী বা তার পরিবার এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেয়। বেশির ভাগ পরিবারেই বিষয়টি চেপে যায়। অনেক সময় যে ভিকটিম, সম্মান রক্ষার্থে তাকে মেরে ফেলার ঘটনাও ঘটে। এত কিছুর পরও দেশটিতে ধর্ষণের শাস্তি কার্যকর করা হয় সঙ্গে সঙ্গে বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে। অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে গেলে আর কোনো ধরনের কালক্ষেপণ করা হয় না। এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ধর্ষকের মাথায় গুলি করে হত্যার মধ্য দিয়ে বা মৃত্যু পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে।

সৌদি আরবে শিরচ্ছেদ
রক্ষণশীল দেশ সৌদি আরব। আর তাই সেখানে ধর্ষণের বিরুদ্ধে রয়েছে কঠোর আইন। এখানে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এই মৃত্যুদণ্ড বিভিন্নভাবে কার্যকর করা হয়। কখনো পাথর ছুড়ে, কখনো-বা মাথা দ্বিখণ্ডিত করে, কখনো-বা পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। প্রকাশ্যে এ ধরনের শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো সবাই যাতে ধর্ষণের শাস্তির বিষয়ে সচেতন হতে পারে। কমে যায় ধর্ষণ। আর তাই দেশটিতে অন্যান্য দেশের তুলনায় ধর্ষণের মাত্রা অনেক কম। তা ছাড়া রয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, চাবুক মারা ও নানা মাত্রার জেল। তবে ধর্ষককে তখনই সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া যাবে, যখন এ কাজের জন্য অন্তত চারজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেবে। তাই ধর্ষণ প্রমাণ করা বেশ কঠিন এখানে।

 ২০১১ সালে নিজের কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে ২ হাজার ৮০টি দোররা মারার নির্দেশ দেওয়া হয় মেয়ের বাবাকে। আর সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ১৩ বছরের কারাদণ্ড। এই কারাদণ্ড ভোগের সময়কালে এতটি দোররা বা চাবুক মারার আদেশ দেয় আদালত। কারণ, সেখানে চারজন সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যায়নি। তা ছাড়া স্বামী বোনের সামনে ধর্ষণ করায় ৪ যুবককে ৭০০ চাবুক ও ৫২ বছরের জেল দিয়েছে সৌদি আরবের এক আদালত। এখানেও সেই একই ঘটনা। খবর দেশ রূপান্তরের।

এদিকে বিবিসি’র একটি নিবন্ধে বাংলাদেশে ধর্ষনের শাস্তি ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি ধর্ষণের মামলায় আইনি সহায়তা দেয়। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন,

“বিচারহীনতার কারণেই কিন্তু ধর্ষণের বিষয়গুলা আরো বেশি হচ্ছে। বার বার প্রমাণ করতে গিয়ে ভিকটিম দ্বিতীয় বার ধর্ষণের শিকার হয়। থানায় মামলা নিতে বা আসামী পক্ষের আইনজীবী যেভাবে প্রশ্ন করে তখন কিন্তু সে আরেকবার ধর্ষণের শিকার হয়। আইনে আছে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে, বিশেষ ক্ষেত্রে কারণ দেখিয়ে কিছুটা সময় নিতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে মামলা শেষ হতে দশ বছর বিশ বছরও লেগে যাচ্ছে।”

ধর্ষণের বিচারহীনতার কারণ হিসেবে ভিকটিম এবং নারী অধিকার কর্মীরা পুলিশের গাফিলতির প্রসঙ্গটি বারবারই সামনে আনে।

থানায় মামলা দায়ের থেকে শুরু করে ভিকটিমের সঙ্গে আচরণ, তদন্ত এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তার সবক্ষেত্রেই অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে পুলিশে অতিরিক্ত মহা পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, “কখনো কখনো আমাদের যারা ফিল্ডে কাজ করেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অথবা সাব ইন্সপেক্টর যারা আছেন তাদের মনে যদি কখনো সন্দেহের উদ্রেগ হয় সেই সময় তারা তাৎক্ষণিক-ভাবে কাল বিলম্ব না করে কিছুটা ভেরিফাই করার চেষ্টা করেন।”

তদন্ত ও বিচার বিলম্বের কারণ হিসেবে মি. রহমান বলেন,”যিনি ভিকটিম বা ভিকটিমের পরিবার তার সঙ্গীরা সেখান থেকে যদি যথাযথভাবে সহযোগিতা না করে এবং একটা পর্যায়ে গিয়ে যদি সাক্ষী যদি না আসে একটা আপসরফা করে ফেলে সেইক্ষেত্রে কিন্তু আমাদের শেষ পর্যন্ত কিছু করার থাকে না। সেক্ষেত্রে কিন্তু তদন্তের অগ্রগতি করা সম্ভব না। আমরা চার্জশিট দেয়ার পরেও যদি বিজ্ঞ আদালতে গিয়ে সাক্ষীরা না দাঁড়ায় না কথা বলে সেক্ষেত্রেও কিন্তু মামলা ঝুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।”

শেয়ার করুন