ত্বকের আঁচিলের সমস্যা দূর করবেন যেভাবে

প্রত্যেকের শরীরে তিল বা আঁচিল আছে। শরীরের যেকোনও জায়গায় এগুলি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত তিল বা আঁচিল স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে। চিকিৎসার মাধ্যমে অনেকসময় আঁচিল দূর করা হয়। তবে তা কিছুটা ব্যয়বহুল। এক্ষেত্রে ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে বাড়িতে থেকেই তিল বা আঁচিলের সমস্যা দূর করতে পারেন। যেমন-

১. রসুন : রসুন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি তিল বা আঁচিল সারাতেও খুবই কাজ দেয়। তিলের ওপর নিয়মিত রসুনের রস লাগালে তিল দূর হবে।

২. ক্যাস্টর অয়েল ও বেকিং সোডা : ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্রতিদিন নিয়ম করে ত্বকে লাগান। কয়েক সপ্তাহ লাগালেই ত্বক থেকে তিল দূর হয়ে যাবে। বেকিং সোডা তিলগুলোকে শুকিয়ে দেয় আর ক্যাস্টর অয়েল ত্বককে সুরক্ষিত রাখে।

৩. লেবুর রস : দিনে কয়েকবার লেবুর রস ত্বকে লাগাতে পারেন। এটি ব্লিচের মতো কাজ দেয়।

৪. আলুর রস : আলুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে। এটি ব্যবহার করলে ত্বক থেকে পুরোপুরি তিল দূর না হলেও তিলের রং হালকা হয়ে যাবে।

৫. ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল : গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্ল্যাক্সসিড অয়েলে থাকা উপাদান ত্বকের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ত্বকের ডার্ক স্পট দূর করতেও খুব উপকারী এই তেল।

৬. কলার খোসা : কলার খোসায় থাকা এনজাইম এবং অ্যাসিড তিল দূর করতে সাহায্য করে। কলার খোসা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। এটা ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ হয়ে ওঠে।

৭. মধু: মধু ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ত্বককে মসৃণ করে।

৮. অ্যালোভেরা : তিল বা আঁচিলের সমস্যা দূর করতে অ্যালোভেরা বেশ কার্যকরী৷ এটা সরাসরি গাছ থেকে তুলে লাগাতে পারেন কিংবা বাজার থেকে কিনেও অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে অ্যালোভেরা আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কিনা তা দেখে নেওয়া জরুরি।

৯. নারকেল তেল : নারকেল তেলে থাকা নানা উপাদান ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তিল সারাতেও কাজে আসে নারকেল তেল।

১০. অ্যাপল সিডার ভিনেগার : আঁচিল বা তিল থেকে মুক্তি পেতে সব থেকে বেশি যেটা ব্যবহার করা হয় সেটা হল অ্যাপল সিডার ভিনেগার। এতে থাকা ম্যালিক অ্যাসিড আঁচিল বা তিলকে একেবারে ত্বক থেকে দূর করে দেয়। একটি তুলোয় অ্যাপল সিডার ভিনেগার নিয়ে যেসব জায়গায় তিল বা আঁচিল রয়েছে সেখানে লাগান, উপকার পাবেন।

তবে এসব ঘরোয়া সমাধান ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য